পারিবারিক আদালতে দেনমোহর, ভরণপোষণ ও সন্তানের হেফাজত: আপনার আইনি অধিকার
স্বামী সংসারের খরচ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দেনমোহর দিচ্ছেন না, আবার সন্তানকেও আপনার কাছ থেকে আলাদা রেখেছেন। এই পরিস্থিতিতে নিজেকে একা মনে হতেই পারে। কিন্তু আইন আপনাকে স্পষ্ট প্রতিকার দিয়েছে। এই লেখায় সহজ ভাষায় সেগুলো ব্যাখ্যা করা হলো।
এসব বিষয়ে কোন আদালতে যাবেন?
বিয়ে, দেনমোহর, ভরণপোষণ ও সন্তান নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করে পারিবারিক আদালত (Family Court)। পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৫ অনুযায়ী এই আদালত বিবাহবিচ্ছেদ, দাম্পত্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, দেনমোহর, ভরণপোষণ এবং সন্তানের অভিভাবকত্ব ও হেফাজত সংক্রান্ত মামলা বিচার করে।
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ২৬ নং আইন) পাস হয় ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩। এই আইনের ধারা ৩০ দিয়ে ১৯৮৫ সালের Family Courts Ordinance রহিত করা হয়েছে। তাই ইন্টারনেটের পুরনো লেখায় ১৯৮৫ সালের অধ্যাদেশের কথা পেলে সতর্ক থাকুন। তবে নতুন আইনে পুরনো অধ্যাদেশের অনেক বিধান প্রায় একই আছে, তাই পুরনো রায়ের বেশ কিছু অংশ এখনও কাজে লাগে।
পারিবারিক আদালত পরিবারের সব বিষয় দেখে না। বিয়ে নিজে, দত্তক, উইল, হেবা ও উত্তরাধিকারের মতো বিষয় সাধারণত এই আদালতের এখতিয়ারের বাইরে। তবে হাইকোর্ট বিভাগ বলেছে, ধারা ৫-এ উল্লিখিত বিষয়গুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত বা তা থেকে উদ্ভূত বিষয়ও এই আদালত নিষ্পত্তি করতে পারে।
দেনমোহর: কী এবং কীভাবে আদায় করবেন
দেনমোহর (Dower) হলো বিয়ের সময় স্বামী স্ত্রীকে যে অর্থ বা সম্পত্তি দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। এটি স্ত্রীর অধিকার, দয়া নয়। সাধারণত এটি কাবিননামায় লেখা থাকে। সুপ্রিম কোর্ট দেনমোহরকে আইনত বলবৎযোগ্য অধিকার হিসেবে স্বীকার করেছে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
- মুআজ্জাল (তাৎক্ষণিক) দেনমোহর চাইলেই প্রাপ্য। মুওয়াজ্জাল (বিলম্বিত) দেনমোহর সাধারণত তালাক বা মৃত্যুর পর প্রাপ্য।
- কাবিননামায় পরিশোধের পদ্ধতি স্পষ্ট না থাকলে সাধারণত পুরো দেনমোহর চাহিবামাত্র প্রদেয় ধরা হয়। (মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১, ধারা ১০)
- তালাকের পরও দেনমোহরের অধিকার থাকে। অনাদায়ী দেনমোহরের জন্য মামলা করা যায়।
- দেনমোহরের মামলায় তামাদি (সময়সীমা) প্রযোজ্য। কত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে তা ঘটনাভেদে আলাদা হয়, তাই দেরি না করে আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
আদালত ডিক্রি দেওয়ার পরও স্বামী টাকা না দিলে ডিক্রি কার্যকর (execution) করার আবেদন করা যায়। কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যাবে, তা আপনার ঘটনার ওপর নির্ভর করে। আইনজীবী আপনাকে প্রযোজ্য উপায়গুলো জানাবেন।
ভরণপোষণ: স্ত্রী ও সন্তানের অধিকার
ভরণপোষণ (Maintenance) মানে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানসহ মৌলিক চাহিদা।
বিবাহ বহাল থাকা অবস্থায়
স্বামীর দায়িত্ব স্ত্রী ও সন্তানের ভরণপোষণ দেওয়া। হাইকোর্ট বিভাগ বলেছে, বিবাহ বহাল থাকা অবস্থায় স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী, এবং বিবাহজাত সন্তানরাও ভরণপোষণ পাবে। একটি মামলায় আদালত বাবার বাড়িতে থাকা স্ত্রী ও দুই সন্তানের জন্য দেনমোহর ও ভরণপোষণের ডিক্রি দিয়েছে।
বিবাহবিচ্ছেদের পর
ইদ্দতকালের (তালাকের পর অপেক্ষার সময়) ভরণপোষণ নিয়ে সাধারণত বিতর্ক কম। কিন্তু ইদ্দতের পরেও ভরণপোষণ দাবি করা যাবে কি না, সে বিষয়ে এখনও মতভেদ আছে। এই বিষয়ে আপনার ঘটনার ভিত্তিতে আইনজীবীর পরামর্শ সবচেয়ে জরুরি।
সন্তানের ভরণপোষণ
বিবাহবিচ্ছেদের পরও সন্তানের ভরণপোষণ দেওয়া বাবার দায়িত্ব। আদালত সন্তানের প্রয়োজন ও বাবার আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করে। স্কুলের ফি, চিকিৎসা খরচ ও দৈনন্দিন খরচের হিসাব সংরক্ষণ করুন।
সন্তানের হেফাজত: আইন কী বলে?
দুটি শব্দ আলাদা করে বোঝা দরকার:
- হেফাজত / হিজানত (Custody): সন্তান কার কাছে থাকবে এবং দৈনন্দিন যত্ন কে নেবে।
- অভিভাবকত্ব / বেলায়েত (Guardianship): সন্তানের শিক্ষা, সম্পত্তি ইত্যাদি বিষয়ে আইনি কর্তৃত্ব।
প্রচলিত নিয়ম
মুসলিম ব্যক্তিগত আইনে ছেলে সন্তানের ক্ষেত্রে সাত বছর বয়স পর্যন্ত এবং মেয়ে সন্তানের ক্ষেত্রে বয়ঃপ্রাপ্তি পর্যন্ত মা হেফাজতের অধিকারী। সাধারণভাবে মায়ের এই অগ্রাধিকার তিনি আবার বিয়ে না করার সঙ্গে সম্পর্কিত।
আজ আদালত যে নীতি প্রয়োগ করে: শিশুর কল্যাণ
শিশুর কল্যাণই সবার আগে। অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, ১৮৯০-এর ধারা ১৭ অনুযায়ী আদালতকে নাবালকের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হয়। ধারা ২৫ আদালতকে হেফাজতের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেয়, সেখানেও নাবালকের কল্যাণই প্রধান বিবেচ্য।
আপিল বিভাগ বয়স ও লিঙ্গভিত্তিক কঠোর নিয়ম থেকে সরে এসেছে। একটি মামলায় শিশুর বিশেষ চিকিৎসাগত প্রয়োজনের কারণে আট বছরের ছেলের হেফাজত বাবাকে দেওয়া হয়নি। আরেকটি মামলায় হেফাজতের মামলা চলাকালীন সন্তানদের মায়ের কাছে রাখা হয়েছে, কারণ আদালত মনে করেছে সেখানেই তাদের কল্যাণ সবচেয়ে ভালো রক্ষা হবে।
যে পক্ষ হেফাজত পান না, আদালত তাঁকে সাক্ষাতের অধিকার (visitation right) দিতে পারে।
মা আইনি অভিভাবক হিসেবে
হাইকোর্ট বিভাগ আজমেরী হক বাঁধন মামলায় অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইনের ধারা ১৯(খ) সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ঘোষণা করেছে। ওই ধারায় পিতা জীবিত ও যোগ্য থাকলে অন্য কাউকে অভিভাবক নিযুক্ত করা যেত না। এর ফলে সন্তানের আইনি অভিভাবক হিসেবে মায়ের স্বীকৃতির পথ প্রশস্ত হয়েছে।
এক নজরে তুলনা
| দাবি | প্রধান আইন | কোথায় মামলা | মূল কথা |
|---|---|---|---|
| দেনমোহর | মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১; পারিবারিক আদালত আইন ২০২৩ | পারিবারিক আদালত | কাবিননামা নিরাপদে রাখুন |
| ভরণপোষণ | পারিবারিক আদালত আইন ২০২৩; ব্যক্তিগত আইন | পারিবারিক আদালত | প্রয়োজন ও স্বামীর সামর্থ্য প্রমাণ করুন |
| হেফাজত | অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন ১৮৯০ (ধারা ১৭, ২৫); পারিবারিক আদালত আইন ২০২৩ | পারিবারিক আদালত | শিশুর কল্যাণই মূল বিবেচ্য |
ধাপে ধাপে: পারিবারিক আদালতে মামলা করার পদ্ধতি
- কাগজপত্র সংগ্রহ করুন: কাবিননামা, জাতীয় পরিচয়পত্র, সন্তানদের জন্মনিবন্ধন, অর্থ না দেওয়ার প্রমাণ এবং সন্তানের খরচ ও বসবাসের প্রমাণ।
- সঠিক আদালত বেছে নিন। সাধারণত যেখানে মামলার কারণ উদ্ভূত হয়েছে, কিংবা পক্ষগণ যেখানে বাস করেন বা সর্বশেষ একসঙ্গে বাস করেছেন, সেখানে মামলা হয়। দেনমোহর ও ভরণপোষণের মামলায় বিশেষ নিয়ম থাকতে পারে, তাই আইনজীবীর কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন।
- আরজি (plaint) দাখিল করুন। একই বিবাহ থেকে উদ্ভূত হলে দেনমোহর, ভরণপোষণ ও হেফাজতের দাবি প্রায়ই একসঙ্গে করা যায়।
- কোর্ট ফি দিন। ২০২৩ সালের আইনে কোর্ট ফি ২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হয়েছে (ধারা ২৫)। প্রসেস ফি ও আইনজীবীর ফির মতো অন্য খরচ আলাদা এবং মামলাভেদে ভিন্ন হয়।
- সমন ও জবাব। আদালত অপর পক্ষকে সমন পাঠায়, তাঁকে লিখিত জবাব দিতে হয়। সমন উপেক্ষা করলে মামলা একতরফা (ex parte) চলতে পারে।
- প্রাক-বিচার শুনানি ও মীমাংসা (ধারা ১১)। আইনে সমঝোতার চেষ্টার জন্য প্রাক-বিচার পর্যায় আছে।
- সাক্ষ্য ও বিচার। ধারা ১৩(৬) অনুযায়ী হলফনামার মাধ্যমে সাক্ষ্য দেওয়া যায়, যা প্রবাসীদের জন্য সহায়ক।
- দ্বিতীয় দফা মীমাংসার চেষ্টা (ধারা ১৪)। সাক্ষ্য গ্রহণের পর আদালত আবার আপসের চেষ্টা করে।
- রায় ও ডিক্রি। আদালত দেনমোহর, ভরণপোষণ বা হেফাজতের ডিক্রি দেয়।
- আপিল (ধারা ১৮–১৯)। আপিল যায় জেলা জজ বা সমপর্যায়ের আদালতে। কম অঙ্কের দেনমোহরের ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিলের সীমাবদ্ধতা আছে, তাই আপিল করার আগে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন।
সময়: আইনের লক্ষ্য দ্রুত নিষ্পত্তি। বাস্তবে বিলম্ব হয়। মামলার জটিলতা, বিচারকের স্বল্পতা এবং সমন জারিতে দেরি এর সাধারণ কারণ। কয়েক মাস, কখনও তার বেশি সময় লাগতে পারে। আপনার জেলায় বাস্তবে কত সময় লাগে, আইনজীবী তা বলতে পারবেন।
সাধারণ ভুল (আইনজীবীর অভিজ্ঞতা থেকে)
- কাবিননামা হারানো। মূল কপি না থাকলে দ্রুত সত্যায়িত কপি সংগ্রহ করুন।
- লিখিত ছাড়া অনানুষ্ঠানিক মীমাংসা। "পরে দেব" জাতীয় মৌখিক প্রতিশ্রুতি প্রমাণ করা কঠিন।
- সন্তানকে সরিয়ে ফেলা বা লুকিয়ে রাখা। সম্মতি ছাড়া সন্তানকে নিয়ে যাওয়া আদালত ভালো চোখে দেখে না। আগে আইনি পরামর্শ নিন।
- সমন উপেক্ষা করা। আদালত আপনার অনুপস্থিতিতেই সিদ্ধান্ত দিতে পারে।
- শুধু আংশিক দাবি করা। মামলার আগে দেনমোহর, ভরণপোষণ ও হেফাজত একসঙ্গে আলোচনা করুন।
- প্রমাণ না রাখা। রসিদ, মেসেজ ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট সংরক্ষণ করুন।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য
সাধারণত মোক্তারনামা (power of attorney) দিয়ে মামলা পরিচালনা করা যায়, এবং আইনে অনুমোদিত হলে হলফনামায় সাক্ষ্য দেওয়া যায়। বিদেশি আদালতের হেফাজতের আদেশ বাংলাদেশে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয় না। শিশুর কল্যাণ বাংলাদেশের আদালত নিজে বিবেচনা করে। বিদেশে থাকা অবস্থায় কাগজপত্র তৈরির আগে বাংলাদেশের আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলা ভালো।
মূল কথা ও পরবর্তী পদক্ষেপ
- ১৯৮৫ সালের রহিত অধ্যাদেশ নয়, পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ দেখুন।
- দেনমোহর আপনার আইনি অধিকার, মামলা করে আদায় করা যায়।
- বিবাহ চলাকালে স্ত্রী ও সন্তানের ভরণপোষণ পাওনা, আদালত তা আদেশ করতে পারে।
- হেফাজতের মামলায় আদালতের প্রধান মাপকাঠি শিশুর কল্যাণ।
- মামলা করার আগে কাগজপত্র গুছিয়ে নিন এবং আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন।
আইনি তথ্যসূত্র
| আইন | উল্লিখিত ধারা |
|---|---|
| পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ২৬ নং আইন) | ধারা ৫, ১১, ১৩(৬), ১৪, ১৮–১৯, ২৫, ৩০ |
| Family Courts Ordinance, 1985 (রহিত) | শুধু পটভূমি হিসেবে উল্লেখ |
| অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, ১৮৯০ | ধারা ১৭, ১৯(খ), ২৫ |
| মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ | সাধারণ উল্লেখ |
Frequently Asked Questions (FAQ)
Find clear, expert answers to the most common questions regarding this article below.
হ্যাঁ, তালাকের পরও দেনমোহর প্রাপ্য থাকে। অনাদায়ী দেনমোহরের জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা করা যায়। তবে তামাদির সময়সীমা আছে, তাই দেরি করবেন না। কাবিননামা ও তালাকের প্রমাণ সঙ্গে রাখুন এবং আইনজীবীর কাছ থেকে সময়সীমা জেনে নিন।
এর কোনো নির্দিষ্ট অঙ্ক নেই। আদালত স্ত্রী ও সন্তানের প্রয়োজন এবং স্বামীর আয় ও সামর্থ্য বিবেচনা করে। নিজের খরচের হিসাব রাখুন, সম্ভব হলে স্বামীর আয়ের প্রমাণও সংগ্রহ করুন। আইনজীবী এগুলো সঠিকভাবে আদালতে উপস্থাপন করতে সাহায্য করবেন।
সবসময় নয়, তবে ছোট সন্তানের ক্ষেত্রে মায়ের অগ্রাধিকার থাকে। প্রচলিত নিয়মে ছেলের সাত বছর পর্যন্ত এবং মেয়ের বয়ঃপ্রাপ্তি পর্যন্ত মা হেফাজত পান। তবে আদালত শিশুর কল্যাণকে সবার আগে রাখে এবং প্রয়োজনে বয়সের এই নিয়ম থেকে সরে আসতে পারে।
হ্যাঁ পারেন। আদালত যদি মনে করে বাবার কাছে সন্তানের কল্যাণ ভালো থাকবে, তবে তাঁকে হেফাজত দিতে পারে। সিদ্ধান্ত হয় সন্তানের যত্ন, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও স্থিতিশীলতার মতো বাস্তব বিষয়ের ওপর, কেবল পিতা বা মাতা পরিচয়ের ওপর নয়।
ডিক্রি কার্যকর (execution) করার আবেদন করতে পারেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী স্বামীর সম্পত্তি ক্রোকসহ অন্যান্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। কোন পদক্ষেপ আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তা আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করুন।
প্রায়ই করা যায়, মোক্তারনামার মাধ্যমে, এবং আইনে হলফনামায় সাক্ষ্যের সুযোগ আছে। কিছু ধাপে স্থানীয় আইনজীবী বা আপনার উপস্থিতি লাগতে পারে। কাগজপত্র প্রস্তুতের আগে নিজের মামলার বিষয়ে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন।
২০২৩ সালের আইনে পারিবারিক আদালতের মামলায় কোর্ট ফি ২০০ টাকা করা হয়েছে। প্রসেস ফি ও আইনজীবীর ফির মতো অন্য খরচ আলাদা। মামলা করার আগে আইনজীবীর কাছ থেকে পুরো খরচের আনুমানিক হিসাব নিয়ে নিন।
The information provided in this article is for educational and general informational purposes under Bangladesh laws and should not be construed as specific legal advice. For formal counsel regarding your litigation or commercial matters, please consult directly with Advocate Ataur Rahman at our chamber.